করোনা প্রতিরোধে কোম্পানীগঞ্জে ৬২টি টিম মাঠে আছে

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৭:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২১

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে করোনা প্রতিরোধে উপজেলা থেকে শুরু করে সকল ওয়ার্ড পর্যায়ে ৬২টি টিম গঠন করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, মসজিদের ইমাম, সমাজকর্মী, শিক্ষকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে গঠন করা হয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা করোনা প্রতিরোধ টিম। সাধারণ নাগরিকদের মাঝে করোনার সচেতনতা বৃদ্ধি, মাস্ক ব্যবহার, লকডাউনের মতো সরকারি সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে তারা। উপজেলা প্রশাসনের ১টি, কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের ১টি, ৬টি ইউনিয়নে ৬টি ও ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৪টিসহ ৬২টি টিম সক্রিয় রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শহর এবং গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সবার সমন্বয়ে করোনা প্রতিরোধ টিম গঠন করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সেই পরামর্শ থেকেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোম্পানীগঞ্জে করোনা প্রতিরোধে করা হয়েছে টিম গঠন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান রাসেল বলেন, সাধারণ মানুষের মাঝে করোনার সচেতনতা কম। অধিকাংশ নাগরিকেরই স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে ধারণা নেই। স্থানীয় পর্যায়ে করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ শতভাগ নিশ্চিত করতে পারলেই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন হবে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল জানান, লকডাউনে বিধিনিষেধের সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। প্রশাসনের কঠোরতা নয়, মানুষের সচেতনতাই পারবে করোনা প্রতিরোধ করতে।

ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, উপজেলা প্রশাসনের গঠিত ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিগুলো গ্রামে-গঞ্জে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করছে। প্রতিটি গ্রামে-গঞ্জে করোনার সংক্রমণজনিত সমস্যার সমাধানগুলো পৌঁছাতে পারলেই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন হবে।

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য জানান, স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ সবসময় মাস্ক পরে না। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যের দেখলেই শুধু তারা মাস্ক পরে। কঠোর লকডাউন উপলক্ষে যেসব কার্যক্রম চলমান রয়েছে এগুলোর পাশাপাশি আমাদেরকে মাস্ক পরার উপরে বেশি জোর দিতে হবে। শতভাগ মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রামের প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। করোনার লক্ষ্মণ দেখা দিলেই করোনা টেস্ট করতে হবে। এ সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলার সকল নাগরিকের অংশগ্রহণ জরুরি। সে উদ্দেশে গ্রাম-গঞ্জের মানুষদের করোনা প্রতিরোধে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্থানীয়ভাবে টিম (কমিটি) গঠন করা হয়েছে।

(সি/স-১১ জুলাই-তা/ই)