মজলুম জননেতা মাওলানা আঃ হামিদ খাঁন ভাসানীর ১৪১ তম জন্মবার্ষিকী আজ শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ১২:১১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০২০ স্টাফ রিপোর্টার:-আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৮৮০ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার নাম হাজী শরাফত আলী খাঁ ও মায়ের নাম মজিরন বিবি। মওলানা ভাসানীর জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বাণী দিয়েছে। এছাড়া কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠনের উদ্যোগে ঢাকা ও টাঙ্গাইলে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। মওলানা ভাসানী রাজনীতির আলোকবর্তিকা হাতে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে এর আলো ছড়িয়েছেন। তিনি সারাজীবন সাধারণ মেহনতি মানুষের কল্যাণে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। সবসময় ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতেন। ক্ষমতার কাছে থাকলেও ক্ষমতার মোহ তাকে কখনো আবিষ্ট করেনি। তার উদ্যোগে ১৯৫৭ সালে কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। বঙ্গবন্ধুও তাকে শ্রদ্ধা করতেন। জীবনের বড় অংশই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন নির্মোহ, অনাড়ম্বর ও অত্যন্ত সাদাসিধে। তার সাধারণ জীবনযাপন এ দেশ ও জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন। শোষণ ও বঞ্চনাহীন, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য মওলানা ভাসানী আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তার আদর্শিক ঐক্য ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা ছিল। বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মওলানা ভাসানী। মওলানা ভাসানীর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন ও স্মরণসভা করবে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন। শনিবার বিকালে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ, রাষ্ট্রচিন্তা ও গণসংহতি আন্দোলন মিলে আয়োজন করবে ‘মওলানা ভাসানী ও আমাদের সময়ের রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভা। একইদিন রাজধানীর নয়া পল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে মওলানা ভাসানীর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ। দলের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা জানান, দলের সকল মহানগর, জেলা ও শাখা কমিটি স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে। (সি/স-১২ ডিসেম্বর-তা/ই) Download News PhotoCard SHARES গণমাধ্যম বিষয়: