কোম্পানীগঞ্জে সাত বছরের শিশু ধর্ষণ, থানায় মামলা

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২১

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:-সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে জানা যায়।২২ জুলাই বৃহস্পতিবার ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় নির্যাতিতার দাদা আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে শফিকুর রহমান (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা নং ২৩।

ধর্ষক শফিকুর রহমান গোয়াইনঘাট উপজেলার
রুস্তমপুর ইউনিয়নের বগাইয়া হাওর দক্ষিণপাড়ার আব্দুল মোমিনের ছেলে। নির্যাতিতা শিশুর বাড়িও একই এলাকায়।

কোম্পানীগঞ্জে সাত বছরের শিশু ধর্ষণ, থানায় মামলা

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রায়পুর গ্রামে নির্যাতিতা শিশু তার মা বাবার সাথে তার মামার শশুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন।ধর্ষক শফিকুর রহমান নির্যাতিতা শিশুটির মামার বন্ধু হোন।তারা একই সাথে গোয়াইনঘাটের নিজ বাড়ি থেকে কোম্পানীগঞ্জের রায়পুর গ্রামে বেড়াতে আসেন। গত ২২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পরলে লম্পট শফিকুর রহমান শিশুটিকে মুখ চেপে পাশবিক অত্যাচার করেন এবং ঘটনা প্রকাশ করলে খুন করে ফেলবেন বলে হুমকি দেন।ভয়ে শিশুটি কাউকে কিছু বলেননি।কিন্তু সকাল বেলা শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনার জানাজানি হয়।শিশুটির শারীরিক অবস্থার বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি’তে ভর্তি করা হয়।

ঘটনা জানাজানি হলে লম্পট শফিকুর রহমান পালিয়ে যায়।

ঘটনার প্রায় ৫ দিন পরে ভিকটিম দাদা আব্দুল হান্নান বাদি হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেটি রেকর্ড করেন অফিসার ইনচার্জ কেএম নজরুল।

ভিকটিমের পিতা প্রতিবেদককে জানান, ঘটনাটি শুনে আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ময়মুরুব্বিয়ানকে জানালে তারা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য প্রস্তাব করে। আমি তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মামলা করব বলে জানালে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন।

এ ব্যাপারে নির্যাতিতার মা বলেন, আমার মেয়ের শারিরীক অবস্থা খুবই খারাপ।আমি ওই ধর্ষণকারীর ফাঁসি চাই। আমার মেয়ের ধর্ষণকারীর উপযুক্ত বিচার চাই।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম নজরুল ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন , ঘটনার ৫ দিন পরে ভিকটিমের দাদা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সাথে সাথেই আসামীকে ধরার সর্বাত্তক চেষ্টা করা হচ্ছে।

আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

(সি/স-২৯ জুলাই-তা/ই)