দোয়ারাবাজারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে শিক্ষককে ভুয়া আদেশ প্রেরণ: বেতন হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০২২ দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি:পোস্ট অফিসের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া আদেশ পাঠিয়ে বেতন হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করায় হাইস্কুলের সাবেক এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। গত ২ এপ্রিল দোয়ারাবাজার থানায় এই জিডি করা হয়। জিডি নং-৬৫। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের পান্ডারগাঁও গ্রামের আবরু মিয়ার পুত্র ফিরোজ আহমদ ও নাটোর জেলার লালপুর থানার বরবড়িয়া গ্রামের দবির উদ্দিনের পুত্র রেজাউল করিম উভয়েই হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। এই দুই শিক্ষক ভুয়া সনদপত্র ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন চাকরি করেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তে তাদের সনদপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে এই দুই শিক্ষকের নিয়মিত মাসিক বেতনভাতা স্থগিত করা হয় এবং ২০২১ সালের ৩ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ৪০৬/৪৬৮/৪৭১ পেনাল কোড ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। এরইমধ্যে মামলা চলমান অবস্থায় চলতি বছর গত ৯ মার্চ পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের স্মারক সম্বলিত একটি আদেশপত্র আসে। এতে হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিমের বেতনভাতাদি প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে এব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করা হলে এই আদেশপত্রটিও ভুয়া প্রমাণিত হয়। হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাফিজ আলী বলেন, ‘মামলা বিচারাধীন অবস্থায় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের একটি আদেশপত্র আসে। তখন এটি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমি আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক ও বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফতেহফুল ইসলামসহ ঢাকায় সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করি। সেখানে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপসচিব সোনামনি চাকমা আমাদেরকে নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রনালয় থেকে এধরনের কোনো আদেশপত্র পাঠানো হয়নি। আদেশপত্রে যে স্মারক নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে তা ভুয়া। এটা একধরনের প্রতারণা। পরে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে আমি থানায় জিডি করেছি।’ জিডির বিষয়ে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবদুলাল ধর জানান, ‘এবিষয়ে হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থানায় এসে জিডি করে গেছেন। জিডিটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। SHARES গণমাধ্যম বিষয়: