ওসমানীনগর ট্র্যাজিডি: হত্যাকাণ্ড নয় দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু Desk Desk News প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২২ সিলেটের ওসমানীনগরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনাটি নিছক একটি দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছে সিলেট জেলা পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। আজ মঙ্গলবার ( ২৩ আগস্ট ) দুপুরে সূত্রটি এ তথ্য জানায়। জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই ওসমানীনগরে তাজপুর স্কুল রোডের একটি বাসায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী একই পরিবারের পিতা ও ছেলের মৃত্যু এবং মেয়েসহ অপর তিনজন মারাত্মক আহত হন। ঘটনাটি দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এই মৃত্যু। তবেে এর রসহস্য নিয়ে চারদিকে চলে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। শোকে কাতর হয়ে পড়েন সচেতন মহল। ১১ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লডে ওই প্রবাসীর কন্যা সামিরা ইসলামও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে শোকের মাত্রা আরও গাঢ় হয়। বিষয়টি তদন্তে মাঠে নামে আইন শৃঙখলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। সূত্রটি জানায়, খাদ্যে বিষক্রিয়া বা কোন পক্ষ তাদের হত্যা করতে পারে- এমন কোন আলামত আমরা পাইনি। তবে ঘটনার দিন ওই বাসার জেনারেটর টানা কয়েক ঘন্টা চলেছে। তারা যে ঘরে ছিলেন ওই ঘরে কোন ভেন্টিলেটরও ছিলনা। আর তাই আমাদের ধারণা, ওই বদ্ধঘরে ধোঁয়ায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তারপর মৃত্যু। দু’একদিনের মধ্যে যাবতীয় রিপোর্ট পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিস্কার হবে বলে সূত্রটি জানায়। উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ওসমানীনগরের ধিরারাই গ্রামের রফিকুল ইসলাম যুক্তরাজ্য থেকে সপরিবারে দেশে ফেরেন গত ১২ জুলাই। প্রায় এক সপ্তাহ ঢাকায় থেকে ১৮ জুলাই ওসমানীনগরের তাজপুরে ভাড়া বাসায় ওঠেন। পরে ২৬ জুলাই সকালে পুলিশ ভাড়া বাসার একটি কক্ষের দরজা ভেঙে তাঁকে, ছেলে সাদিকুল ও মাইকুল, স্ত্রী হুসনারা ও একমাত্র মেয়ে সামিরাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক রফিকুল ও ছেলে মাইকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। মেয়ে সামিরা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে প্রায় ১১ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এই মৃত্যুর ঘটনায় সারাদেশ, এমনকি দেশের বাইরেও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। SHARES গণমাধ্যম বিষয়: