আর্ন এ্যান্ড লিভ এর সহযোগিতায় প্রতিবন্ধী ভাই-বোনকে মুদি দোকান ও হুইল চেয়ার উপহার

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০২৩

“আমরা করব জয়”আমরা করব জয়”আমরা করব জয় একদিন”ওহো বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়”আমরা করব জয় একদিন”।

নিউজের শুরুতে লেখা গানটির লাইনে যে বিশ্বাস ও প্রত্যয়ের প্রেরণা প্রতিফলিত হয়েছে।সেই বিশ্বাসকে সমাজ বৈরীতায় পোড়খাওয়া মানুষের মাঝে স্বপ্নে নয় বাস্তবে যুগান্তকারী রূপ দিতে, দির্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “আর্ন এ্যান্ড লিভ”।

যার প্রতিফলসরূপ সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এক ঝাঁক উদ্যমী তরুণ মানবিক ও দানবীর মনন চিত্তের মানুষ নিয়ে, গরীব,অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মধ্যে বাড়িয়ে দিচ্ছেন মানবিক সাহায্যের হাত। এ ধারাহিকতাকে সমন্বয়ে রাখতে শনিবার ১৪ জানুয়ারী ঢাকা জেলার ধামরাই যাদবপুর ইউনিয়নে দুপুরে একই পরিবারের প্রতিবন্ধী দুই ভাই বোন, মোঃ সুমন ও মোছাঃ শামীমা কে ”আর্ন এ্যান্ড লিভ এর পক্ষ হুইল চেয়ার ও মুদি দোকান উপহার প্রদান করেন।

সে সময়,হাজী হাবিব আলী, মায়ারুন্নেছা ও ফরিদা ইয়াসমিন জেসি (আর্ন এ্যান্ড লিভ এর চেয়ারপারসন) এর সার্বিক সহযোগিতায় ঐ পরিবারে একটি মুদি মাইলের দোকান প্রদান করা হয়। প্রতিবেশি ও গ্রামের লোক সমাচারের তথ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রতিবন্ধী সুমন ও শামীমার পিতা একজন ক্ষুদ্র চাউল ব্যাবসায়ী। ঐ পরিবারের কর্তা ( সুমন ও শামীমার বাবা) তার সংসারে পাঁচজন সদস্যের আহার যোগার করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত চরম বিপাকে পড়ছিলেন। এক কথায় নুন আনতে পান্তা ফুরানো সংসারে যা হয় আর কি,
এখানেও সেই অভাব নামক রাক্ষসের বসবাস ছিলো বলে তারা মনে করেন।

পরিবারের মাঝে মুদি দোকান হস্তান্তরের সময় সরজমিনে সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তারিকুল ইসলাম জয়ের তত্বাবধানে প্রধান অতিথি ‘মিজানুর রহমান মিজু (যাদবপুর উইনিয়ন চেয়াম্যান)।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্য কালে বলেন,
সুমন ও শামিমা দু’ভাই-বোন প্রতিবন্ধী হলেও এরা মেধাবী শিক্ষার্থী। এ পরিবারের আর্থিক সচ্ছ্লতার জন্য “আর্ন এ্যান্ড লিভ” সংগঠনের এমন মহান উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। আমিও চেষ্টা করব স্বাধ্যমত এই পরিবার কর্তার এ ক্ষুদ্র ব্যবসাকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে এখানে একটি ফ্রিজের ব্যবস্থা করার।

আর্ন এ্যান্ড লিভ এর সহযোগিতায় প্রতিবন্ধী ভাই-বোনকে মুদি দোকান ও হুইল চেয়ার উপহার

এ’বিষয়ে প্রতিবন্ধী শামীমা বলেন, আমরা দুই ভাই বোনই প্রতিবন্ধী। দরিদ্রতার কষাঘাতে আমার বাবা আমাদের নিয়ে ভীষণ চিন্তা করতেন সব সময়। থমকে যাচ্ছিলো আমাদের দু ভাই বোনের লেখাপড়া। জেসি আপুর সংগঠনের প্রদানকৃত এ মুদি দোকান আমাদের চোখে আজ স্বপ্নের নতুন দিনের জন্ম দিলো। এদিকে এমন মহত কাজের সাথে জরিত হতে পেরে Earn N Live এর কর্মি বৃন্দ, ও সংগঠনটির উর্ধ মহলের পরিচালোক বৃন্দরাও বেশ আনন্দিত।