পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়ার দাবীতে শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষণা

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০২০

সিলকো ডেস্ক:-সিলেটের পাথর কোয়ারী সমূহ খোলে দিয়ে বেকার হয়ে পড়া লাখো শ্রমিক ও ব্যবসায়ির কর্মসংস্থানের দাবীতে বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ি শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভা গতকাল রোরবার নগরীর আম্বরখানাস্থ হোটেল পলাশে অনুষ্ঠিত হয়। ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নূরুল আমিন এবং সাব্বির আহমদ ফয়েজ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় ট্রাক মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম হাদী ছয়ফুল, প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আমির উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই আজাদ, কোম্পানীগঞ্জ পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শওকত আলী বাবুল, আঙ্গুর মিয়া, কোম্পানীগঞ্জ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী রিয়াজ উদ্দিন, ধোপাগুল স্টোন ক্রাশার মালিক সমিতির সভাপতি হাজী নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ সালেহ আহমদ শাহনাজ, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমদ, দৈনিক জাগ্রত সিলেট’র সম্পাদক শেখ মুর্শেদ,কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাব্বির আহমদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জহির রায়হান,সাংবাদিক আকবর রেদওয়ান মনা, শ্রমিক নেতা মাহবুব হোসেন, চাঁন মিয়া, সালুটিকর পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আরিফ আহমদ সুমন, সানুর আলী,শ্রমিক নেতা আমির উদ্দিন, আমিনুল হক প্রমূখ। সভায় বক্তারা বলেন সিলেটের পাথর কোয়ারী সমূহ বন্ধ থাকায় ১০ লক্ষাদিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠী মারাত্মক দুঃখ দুর্দশায় নিপতিত হয়েছে। কর্মহীন মানুষের হাহাকার সর্বত্র। যুগযুগ ধরে পাথর আহরণ করে জীবিকা নির্বাহকারী মানুষগুলো আজ চরম সংকটে নিপতিত হয়েছে। রোজগার বঞ্চিত লাখো মানুষের অবস্থা আজ শোচনীয়। বক্তারা অবিলম্বে পাথর কোয়ারী খোলে দিয়ে সিলেটের মানুষের রোজগার নিশ্চিত করার দাবী জানান। সভায় পাথর সংশ্লিষ্ট জীবিকা নির্বাহ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১১ নভেম্বর সিলেট বিভাগীয় ট্রাক মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভা, ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ভোলাগঞ্জে জনসভা, ১৫ নভেম্বর রবিবার ধোপাগুলে জনসভা অনুষ্ঠানে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় নেতৃবৃন্দ সিলেটের লাখো মানুষের জীবিকা নির্বাহে পথ সুগম করতে গণমানুষের অধিকার আদায়ের এ আন্দোলনে শরীক হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

(সি/স-০৭ নভেম্বর-তা/ই)