কোম্পানীগঞ্জে নদী খননের নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ Desk Desk News প্রকাশিত: ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ, মে ২৩, ২০২১ চীফ রিপোর্টার:-সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ধলাই নদী খননের অজুহাতে লাখ লাখ টাকার বালু ও মাটি বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে হারুন মিয়া নামের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।ওই কর্মকর্তা পানি উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে ইজারাপ্রাপ্ত বঙ্গ এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার। নদীর বালু-মাটি দিয়ে দুইপাশের বাঁধসহ রাস্তা নির্মাণের নির্দেশ থাকলেও কোথাও মানা হচ্ছে না সরকারি এই নির্দেশনা। চুক্তিভিত্তিক টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন জনের বাড়ির মাঠ, ফসলি জমি, নদীর ভেতরে বাজারের অবৈধ ভিটে, পার্শ্ববর্তী মড়াখাল ভরাটসহ অবাধে বালু-মাটি বিক্রি করছে। অর্থের বিনিময়ে বালু বিক্রয়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টুকের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মরাখাল নামের একটি পুরাতন নদী। অপরিকল্পিত ভাবে বালু-মাটি উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়িসহ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজনগর গ্রামের এক ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক ভাবে আমার বাড়ির সামনের পুকুর ভরাট করতে ৪০ হাজার টাকা দিয়েছি হারুন মিয়াকে। টাকা দিয়েও চুক্তি মতো মাটি পায়নি আমি। ইসলামপুর গ্রামের ইমরুলের পিতা (নাম অজ্ঞাত)সিলকো সংবাদকে জানান, ধলাই নদী খনন কাজের ম্যানেজার হারুনের সাথে চুক্তি করে আমার বাড়িতে বালু-মাটি ভরাট করেছি। খনন কাজের ড্রেজার মেশিনের পাইপ আনা নেওয়ার শ্রমিকের খরচ বাদে তাকে নগদ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধলাই নদীর পশ্চিম পাড়ের টুকেরগাও অংশ থেকে শুরু করে টুকের বাজারের নদীর পাড় (বাঁশ ও গরুর বাজার) ভরাট করে অবৈধভাবে বাজার হাট নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক গতিপথে বাধা, ইসলামপুর নদীর কিনারে কৃষি জমি ভরাট, তৈমুর নগর-ইসলামপুরের উপর দিয়ে প্রবাহিত মরাখাল ভরাট, শিলের ভাঙ্গা গ্রাম এলাকায় কৃষি জমি ভরাটসহ রাস্তাঘাটের ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে। ধলাই পূর্বপাড়ের মধ্যরাজনগর এলাকার কৃষিজমি ভরাট, রাজনগর বাজারের কিনার দিয়ে প্রবাহিত ধলাই নদীর উপর মাটি ভরাট করে অবৈধভাবে বাজার হাট নির্মাণ, দক্ষিণ রাজনগর এলাকার কয়েকশত কৃষিজমি ভরাটে অর্থ বানিজ্যের প্রমান পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষের কাছে অর্থের বিনিময়ে বালু-মাটি বিক্রি করেছে হারুন মিয়া সহ খনন কাজের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত আদায়ের প্রমান মিলেছে। উক্ত প্রমাণাদির অডিও ভিডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষতি রয়েছে। অনুসন্ধানের বিস্তারিত ২য় পর্বে…………….. (সি/স-২৩ মে-তা/ই) SHARES গণমাধ্যম বিষয়: