ব্লু হোয়েল গেমে আসক্ত বিয়ানীবাজারে স্কুল ছাত্রের আত্মহনন Desk Desk News প্রকাশিত: ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২২ সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌরসভার শ্রীধরায় এক স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১২ জুন) রাতে সাড়ে ১১টার দিকে স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। ব্লু হোয়েল গেম খেলে আত্মহনন করার বিষয়টি স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছেন। নিহত স্কুল ছাত্রের নাম আহমদ আল আবী (১৩)। সে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য নোমান আহমদের পুত্র। নিহত আবী খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সপ্তম শ্রেণি ছাত্র। ধারণা করা হচ্ছে, সে নিজের ট্যাব দিয়ে ব্লু হোয়েল গেম খেলতে ছিল। এ গেম খেলেই হয়তো আত্মহননের পথ বেঁচে নেয়। লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানি হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। লাশের পরণে তাঁর বড় বোনের পায়জামা, কামিজ ও ওড়না ছিল। লাশটি ঝুলন্ত অবস্থায় ওড়না গিয়ে মুখ ঢাকা ছিল। স্থানীয়রা জানান, ঘরে দরজা বন্ধ পেয়ে তাকে অনেক ডাকাডাকি করা হয়। কোন সাড়া না পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ দরজা খোলে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ঘর থেকে নিহত আহমদ আল আবী এর ট্যাব জব্দ করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, পরিবারের সবাই আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। বাড়িতে একা ছিল আহমদ আল আবী। সে ঘরের প্রবশে ফটক (কেসি গেইট) তালা দিয়ে ঘরের ভেতর একা ছিল। বিয়ানীবাজার থানার ওসি হিল্লোল রায় বলেন, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার বিষয়টি ষ্পষ্ট। তবে কি কারণে সে আত্মহনন করেছে সেটি ময়না তদন্তের প্রতিবেদনে জানা যাবে। তিনি বলেন, গেম খেলার বিষয়টি আমরা জেনেছি, সেটিও তদন্ত করবো। রাশিয়ায় উদ্ভাবিত এই গেম খেলতে গিয়ে সারা পৃথিবীতে ইতিমধ্যেই প্রায় দেড়শোজন প্রাণ হারিয়েছে, যাদের বেশিরভাগই কিশোর। এই গেমটি ৫০ দিন ধরে খেলতে হয়। একের পর এক ভয়ঙ্কর কাজ করার নির্দেশ আসে। একেকটি পর্যায় পেরনোর পরে আরও কঠিন ‘টাস্ক’ দেওয়া হয়। কাজগুলির মধ্যে প্রথমে যেমন থাকে অন্ধকার ঘরে একা ভয়ের সিনেমা দেখা, তেমনই একেবারে শেষ কাজটি হল আত্মহত্যা করা। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কয়েকশো কিশোর-কিশোরী এই গেম খেলতে গিয়ে ইতিমধ্যেই আত্মহত্যা করেছে। SHARES আত্মহত্যা বিষয়: