সিলেটে একই ব্যক্তি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কমিটিতে আছেন Desk Desk News প্রকাশিত: ২:১৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নে ওয়ার্ড বিএনপির সহ-অর্থ সম্পাদককে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করার অভিযোগে তুলেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগ বরাবরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের চিঠি ও ক্ষোভ জানিয়েছেন। গত শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চিকনাগুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্তর্ভুক্ত ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রস্তাবে সভাপতি পদে ৩ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ জনের নাম প্রস্তাব আসে। তাঁর মধ্যে ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি জহির আলী পীরকে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আয়াছ আলীর নাম ঘোষণা করেন চিকনাগুল ইউনিয়ন সমন্বয়কারী জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এখলাছুর রহমান। নাম ঘোষণার সাথে সাথে তৃণমূল নেতাকর্মীরা প্রতীবাদ জানান, “আয়াছ আলী আওয়ামী লীগের করেন না তিনি বিএনপি পরিবারের একনিষ্ঠা কর্মি”। এসময়ে সভায় হট্টগোল দেখা দিলে উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ দ্রুত সভাস্থল ত্যাগ করেন। এবিষয়ে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া হোসেন মামুন বলেন সভাস্থলে আমিসহ বেশ কয়েকজন প্রতিবাদ করলে আমাকে বলা হয়েছে এখানে ছাত্রলীগের কিছু নয় এটা আওয়ামী লীগের সভা এখানে তোমার কথা বলার অধিকার নেই। আমার ছাত্র রাজনীতি সময়ে আয়াছ আলীকে কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দেখি নি। অত্র ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ শাহাবুদ্দিন উদ্দিন বলেন আমি যুবলীগ করে আওয়ামী লীগের এসেছি আয়াছ আলী কে কখন আওয়ামী লীগের কোন মিটিং মিছিলে দেখেনি তিনি কিভাবে ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হন। তাঁর পিতা সাবেক মেম্বার মাহমুদ আলী ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, আয়াছ আলী ওয়ার্ড বিএনপি সহ অর্থসম্পাদক পদে থেকেও তিনি কিভাবে আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পায়? আমিসহ উপস্থিত তৃণমূলের অসংখ্য নেতাকর্মী সভায় প্রতিবাদ জানালেও আমাদের উপেক্ষা করে কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়। আমরা তৃণমূল নেতাকর্মী জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছি এমন আমাদের অভিবাক মন্ত্রী ইমরান মহোদয়সহ আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল স্থানগুলোতে চিঠি প্রেরণ করেছি। এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দিলেও কোনো সারা পাওয়া যায়নি। উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চিকনাগুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক মুহিবুর রহমান মেম বলেন, এখলাছ চেয়ারম্যানে সব কিছু জানেন। ওনি ইউনিয়নের প্রধান সমন্বয়ক। আমি দ্বিতীয় সমন্বয়ক। আমি একা কি করবো? আমাকে ছাড়া সমন্বয়ক কমিটির সকল সদস্যদের ম্যানেজ করে নিয়েছে সেই বিতর্কিত ব্যক্তি আয়াছ আলী। আমি খাটি আওয়ামী লীগ কর্মী। আমাকে কেউ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেনা। আয়াছ আলী একজন বিএনপি নেতা। সে একই ওয়ার্ড কমিটিতে বিএনপির সহ অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই ব্যক্তি দুইটি দলের পদে থাকতে পারে কিভাবে? তিনি আরও বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল আহমদ দেশে ফিরলে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। বর্তমানে কমিটি স্থগিত আছে। SHARES জেলা/উপজেলা বিষয়: