কোম্পানীগঞ্জে এসএসসি’তে পাশের হার ৬০.৫১% এবং মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে ৭৯.৫৬%

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০২০

তারিকুল ইসলাম:-নতুন বছরের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এবার সিলেট শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩।রবিবার সকালে সিলেট শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কবির আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এবছর সিলেট শিক্ষাবোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৪০৭ জন। যার মধ্যে ৬৪ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রী ও ৪৯ হাজার ৯৭৩ জন ছাত্র। মোট পাশ করা শিক্ষার্থীদের সংখ্যায় ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে ছিল মেয়েরা।
এবার মোট পাশ করেছেন ৯১ হাজার ৪৮০ জন। পাশ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৯ হাজার ৫০৪ জন ছেলে ও ৫১ হাজার ৯৭৬ জন মেয়ে।
শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলায় এবার ৪৩ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। এর মধ্যে পাশ করেছেন ৩৫ হাজার ৩০৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৮০ জন। পাশের হার ৮০ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২৫৬ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৭৬০ জন।গড় পাশের হার ৬০.৫১ % এবং মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে উপজেলায় দাখিল পরিক্ষা গড় পাশের হার ৭৯.৫৬%, ১৩৭ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১০৯ জন।

মাধ্যমিকে সর্বোচ্চ শিক্ষার হার কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের। ৪৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩৭ যা গড় পাসের হার ৮৮.৩৭%।

সর্বনিম্ন পাশের হার তেলিখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২৬ জন যা গড় পাসের হার ৪১.৯৪%।

মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে উপজেলার সর্বোচ্চ শতভাগ পাস অর্জন করেছে  নতুন মেঘারগাও মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা। ১৭ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে সবাই পাস করেছে। সর্বনিম্ন গড় পাসের হার কলাপাড়া যুগিরগাও দাখিল মাদ্রাসা ৬৯.২৩%।এই মাদ্রাসায় ১৩ পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৯ জন পাস করেছে।

এস এস সি/ সমমান পরিক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার গড় পাসের হারঃ-

শহীদ স্মৃতি টুকের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের পাসের হার ৬০.৭৪%।

পাড়ুয়া আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের পাসের হার ৪৯.৬৫ %।

উপজেলার একমাত্র সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় “কোম্পানীগঞ্জ থানা সদর সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়”র পাসের হার ৫৪.৫৯%।

ঢালারপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৪৩.৯৪%।

কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৮৮.৩৭%।

ভাটরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৮২.৯৩%।

ছনবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৬৪.৫২%।

পূর্নাছগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৭১.৭৪%।

তেলিখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৪১.৯৪%।

রণিখাই হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫১.২৫%।

দলইরগাও উচ্চ বিদ্যালয় ৬০.৬১%।

বর্ণী উচ্চ বিদ্যালয় ৭৫.৩২%।

পারকুল উচ্চ বিদ্যালয় ৪৬.৬৭%।

শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৬২.৫০%।

উপজেলায় এএসসি’তে গড় পাসের হার ৬০.৫১%।পরিক্ষা দিয়েছে ১২৫৬ জন, পাস করেছে ৭৬০ জন।এর মধ্যে এ+ (প্লাস) পেয়েছে ৬ জন শিক্ষার্থী।

কাঠালবাড়ি চৌমুহনী বাজার আলিম মাদ্রাসার পাসের হার ৭৯.১০%।

পাড়ুয়া নোয়াগাও ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার পাসের হার ৭৫ %।
নতুন মেঘারগাও মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা ১০০%।

কলাপাড়া যুগিরগাও দাখিল মাদ্রাসা ৬৯.২৩%।

উপজেলার একমাত্র সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কোম্পানীগঞ্জ থানা সদর মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮৫ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষা দিয়েছে। পাশ করেছে ১০১ জন,এ প্লাস এসেছে একটি। গড় শিক্ষার হার ৫৪.৫৯%।উপজেলার একমাত্র সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার হার কম থাকায় অভিভাবক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

মহরম আলী নামের একজন অভিভাবক জানান পাশের হার কম থাকার কারন হয়তো শিক্ষকদের দায়িত্ব অবহেলা হতে পারে।সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান আরো উন্নত হওয়া উচিত মনে করি।শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতাই এবং অভিভাবকদের নজরদারীতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামগ্রিক শিক্ষার হার বাড়ানো সম্ভব হতে পারে।

(সি/স-৩১ মে-তা/ই)