ধলাই পাথর কোয়ারী শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২০ দেশের বৃহত্তম পাথর কোয়ারী সচল হোক এটা আমাদের জনগণের চাওয়া। দল মত নির্বিশেষে সবাই পাথর কোয়ারী সচলের পক্ষে। হতে পারে এখানে শুধু ধনীরাই আরো ধনী হয়ে উঠে তবে গরীবরাও-ধনীদের পাশাপাশি বেঁচে যায়।এটলিষ্ট জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার গুলা নিয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে পারে। অথচ আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল -আমার সোনার দেশের প্রতিটি ভোরই যেনও আসে -গরীবের ঘরে আলো হয়ে।আর কোনো ভোরে যেনও শুনতে না হয়,কান্নার রোল আর পেটে ক্ষুধার জ্বালার আর্তনাদ।দারিদ্র বিমোচন তবে শুধু ইশতেহারের পাতায় আর মঞ্চের মাইকে বিদ্যমান ছিল।আহারে -আহারে। আমি নরপিশাচ -আমি উপরমহলের মন খুশী রাখতে আমার ব্যাক্তিগত পারফরমেন্স ভালো রাখতে আমি কাঠামোগত উন্নয়নে ক্ষুদ্র ভাবে বিশ্বাসী।আমার রাজনীতি জনগণের মান উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত নয়।অথচ এই আমিই নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে-গরীবদের উপর মায়া দেখিয়ে রক্তচোষা জোকের মতই গরীববের পেছনে আঁটার মত লেগে ছিলাম।আমি অর্থলোভী, নরপিশাচ, পাষণ্ড -আমিই রাজনীতিবিদ। কোম্পানীগঞ্জ বাসীর বর্তমান চলমান দিনকালের প্রত্যেকটা প্রভাতগুলো প্রত্যেকটা মানুষের জন্য কষ্টের,ভীষন কষ্টের।এক তৃতীয়াংশ মানুষের বোবা চোখে ঝরছে অশ্রু।মুখে নেই ভাষা।এটা দুর্ভিক্ষপীড়িত সময়ের মতই ক্ষুধার আর দুই বেলা দুমোটো আহারের আর্তনাদ।ক্ষুধার হাহাকারে প্রত্যেকটা জায়গায় নিস্তব্ধতা বিরাজমান।এত দু:খ কেনো তুমি দিলে মাবুদ আমাদের মত অসহায় মানুষগুলোকে।এভাবে চলতে থাকলে -আর কতজনই শুদ্ধভাবে বাঁচবে কতক্ষণই লড়বে মৃত্যুর সাথে। আমার সোনার বাংলায় প্রতিটি ভোরই যেন আসে গরীবের ঘরে আলো হয়ে।সেই প্রত্যাশায়। (সি/স-১৩ নভেম্বর-তা/ই) Download News PhotoCard SHARES গণমাধ্যম বিষয়: