আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের তদন্তে মাঠে নেমেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টিম Desk Desk News প্রকাশিত: ৬:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২১ ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগকে বাস্তবায়নের জন্য ‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই শ্লোগানকে ধারণ করে এবং আশ্রয়ন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সর্ববৃহ একটি মানবিক ও স্বপ্নের প্রকল্প হিসেবে সামনে রেখে কাজ করছে সরকার। তাই ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণে অনিয়ম, অবহেলা ও অর্থ আত্মসাৎকারীদের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এগোচ্ছে সরকার। এরপরও এসব ঘর অনিয়মের খবর আসছে। এমন পরিস্থিতিতে গৃহহীনদের পুনর্বাসনে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের তদন্তে মাঠে নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এরই মধ্যে বগুড়ার শেরপুরে, সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে, বরগুনা আমতলীতে, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় ওএসডি করা হয় পাঁচ কর্মকর্তাকে। তাদের মধ্যে চারজন ইউএনও এবং একজন অ্যাসিল্যান্ড। এছাড়াও নিম্নমানের কাজ ও ঘর বরাদ্দে অনিয়মসহ, নানা অভিযোগ উঠেছে ২২ জেলার ৩৬ উপজেলার বিরুদ্ধে। অনিয়মে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে দেশব্যাপী আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি পরিদর্শনে নামছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) একাধিক টিম। এমন সংবাদ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছেন স্থানীয় প্রশাসন। ফলে প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রকল্প পরিদর্শনে নামেন মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রকল্পগুলো ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের তদন্তের কথা শুনে ঘরের ভাঙাচুরা মেরামত শেষে চুনকাম করে তদন্ত দলকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে নরসিংদীর কিছু ঘরের দেয়ালে ফাটল, বারান্দায় ফাটল ও ঘরের প্লাস্টারে সিমেন্ট কম দেওয়ার ফলে খসে যাচ্ছে দেয়াল। চালা দিয়ে পানি পড়ছে বেশকিছু ঘরের। এমন সময় এসব ঘর পরিদর্শনে আসছেন জেলা প্রশাসক, এ খবরে রাতারাতি সংস্কার করে চুন দিয়ে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া প্রশাসনের কাছে ঘরের সমস্যার কথা না বলার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়েছে কোথাও কোথাও। ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল’ বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত দুইটি পর্যায়ে নরসিংদীতে সর্বমোট ২৭২টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৯ জুলাই (শুক্রবার) বিকেলে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নে অবস্থিত প্রথম পর্যায়ের মাঝেরচর গ্রামে অবস্থিত ২১টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ের একই ইউনিয়নের বরাব এলাকার ১০টি ঘর পরিদর্শন করেন সদ্য যোগদানকারী জেলা প্রশাসক আবু নঈম মোহাম্মদ মারুফ খান। পরিদর্শনকালে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী মানুষের সাথে কথা বলেন এবং বরাব এলাকায় আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী ১০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও মাক্স বিতরণ করেন তিনি। (সি/স-১০ জুলাই-তা/ই) SHARES প্রচ্ছদ বিষয়: