সিলেটের চৌহাট্টায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত,গ্রেফতার এক Desk Desk News প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০২০ তারিকুল ইসলামঃ-সিলেটের চৌহাট্টায় দূর্বত্তের ছুরিকাঘাতে নজরুল ইসলাম মুন্না (২২) নামের এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছে।নিহত নজরুল ইসলাম গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দীরগাঁও ইউনিয়েনের বহর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।সে গোয়াইনঘাট ডিগ্রি কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র ।লেখা পড়ার পাশা পাশি সিলেট ওমেন্স মেডিকেল কলেজে ওয়ার্ডবয় হিসাবে চাকুরী করতো। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ)সন্ধ্যা ৭ টা ৫৭ মিনিটের সময় কাজী ইলিয়াছ রোডের উত্তর পার্শ্বে কৃষি ব্যাংকের নীচতলায় গেইটের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সূত্রপাত চৌহাট্টা সড়কের ফুটপাতে বিছানার চাদর বিক্রেতাকে কেন্দ্র করে। সন্ধ্যা ০৭ টা ৫০ মিনিটের সময় কৃষি ব্যাংকের পূর্ব পার্শ্বে খাদ্য বিভাগীয় ক্যান্টিন এন্ড রেষ্টুরেন্টের সামনে বিছানার চাদর বিক্রেতার সাথে এস এম সুহেল নামের অজ্ঞাত ব্যাক্তির বাগবিতাঙ্গা চলছিল।বাগবিতাঙ্গার এক পর্যায়ে চাদর ব্যাবসায়ীকে এস এম সুহেল নামীয় ব্যাক্তি আটক করে। ঘটনাটি দেখে ফুটপাত দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় দুলাল মিয়া (৪৮) এক ব্যাক্তি এগিয়ে ঘটনার কারন জানতে চায় আটক ব্যাবসায়ীর কাছে।ব্যাবসায়ী আটকের ঘটনার কারন জানতে চাওয়ায় রাস্তায় দারিয়ে থাকা উৎসুক জনতার মধ্যে কয়েকজনের সাথে ও নজরুল তর্কে জরিয়ে পড়ে। উল্লেখিত দুলাল মিয়ার সাথে আরো কয়েকজন ব্যাক্তি এসে যোগ দিয়ে নজরুলের সাথে তর্কে জরিয়ে পরে ।দুই পক্ষের তর্ক থেকে এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রুপ নেয়। হাতাহাতি করার সময় দুলাল মিয়ার সাথে যোগ দেওয়া ব্যাক্তিরা ভিকটিম নজরুলকে টেনে হিচরে রাস্তার পূর্ব পার্শ্ব থেকে পশ্চিম পার্শ্বে নিয়ে যায়।কৃষি ব্যাংকের গেইটের নীচে হাতাহাতি করা অবস্থায় প্রতিপক্ষ দুলাল মিয়া ও তার পক্ষের লোকজনকর্তৃক নজরুল ইসলাম মুন্না ছুরিকাহত হোন। নজরুল ইসলাম ছুরিকাহত হয়ে ঘটনাস্থল থেকে একা একাই রিকশাযুগে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়(সিওমেক)।শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার আত্মীয় স্বজন মূমুর্ষ নজরুলকে ঢাকা নেওয়ার পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরন হয়ে রাত ০২ টার সময় মারা যায়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা রফিকুল ইসলাম ৬ জনকে উল্লেখ করে ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে কতোয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।মামলা নং ১৩। আসামীরা হচ্ছে ১. দুলাল মিয়া (৪৮) পিতা সিরাজুল হক,২ ইমন মিয়া (১৯),পিতা দুলাল মিয়া,৩.বাবুল মিয়া পিতা সিরাজুল হক সাং নোয়াপাড়া,মাধবপুর হবিগঞ্জ।৪. শিমুল (২২),৫. সুমন মিয়া (২০) উভয় পিতা মৃত আমিন মিয়া,৬. মামুন মিয়া, পিতা অজ্ঞাত সর্বসাং সাততুলা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। মামলা দায়েরের পরপরেই অভিযান চালিয়ে ১নং আসামী দুলাল মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে।আসামী দুলালকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। কতোয়ালী থানার ওসি সেলিম মিয়া হত্যা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ১নং আসামীকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামীদেরকেও গ্রেফতারের জন্যে অভিযান চলছে। SHARES জাতীয় বিষয়: