হুমকির মুখে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর,বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক ও সাদা পাথর

প্রকাশিত: ৩:৫৭ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২১

দেশের ২৪তম স্থলবন্দর ‘ভোলাগঞ্জ’। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একমাত্র স্থলবন্দরটি গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এক সরকারী প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত হয়।

স্থলবন্দর ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়নের দিকে নজর দেয় বানিজ্য মন্ত্রানলয়সহ প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি।
অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশ যৌথ বর্ডার হাট স্থাপিত হয়েছে এই ভোলাগঞ্জেই। সব দিক দিয়ে সিলেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বানিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে এই ভোলাগঞ্জ । বর্ডার হাট চালু হলে দুই দেশের স্থানীয় ব্যবসা বানিজ্য আরও মজবুত হবে।

অন্যদিকে প্রকৃতির অপারসম্ভবনার নতুন দিগন্ত খুলতে যাচ্ছে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্র।করোনায় লগডাউনের পূর্বে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক ঘুরতে আসে এই পর্যটন কেন্দ্রে।

ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর ও সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রের অপার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ার সাথে সাথে পরিবেশের দিকে নজর দেয় পরিবেশ অধিদফতর। যার ফলে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে পরিবেশ রক্ষায় ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীতে পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দেয়।

এতে করে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী এলাকার অর্ধ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে পরে। সাথে সাথে বেকার হয়ে যায় কোয়ারী এলাকার কয়েকটি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট।ভোলাগঞ্জ কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সেই চক্রটি প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ আদায় করতো। ভোলাগঞ্জ কোয়ারী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত।

সেই চাঁদাবাজ চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে গভীর ষড়যন্ত্র করছে যেন, সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাক। ব্যাঘাত ঘটুক ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম।

তাইতো প্রাকৃতিক পরিবেশ ধংসে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর এলাকার আশে পাশে প্রতিদিনি শত শত শ্রমিক দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত পাথর উত্তোলন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে ভোলাগঞ্জের ব্যবসার সম্ভাবনাগুলো।

বিগত কয়েক সপ্তাহ যাবত ভোলাগঞ্জ ১০ নং এলাকায় শত শত শ্রমিক দিয়ে সেই চক্রটি মাটি ক্ষুরে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে।মাটি ক্ষুরে পাথর উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে রয়েছে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর,বর্ডারহাট,বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক,সাদা পাথর পর্যটন নৌকা ঘাট ও স্থানীয় ভোলাগঞ্জ এবং গুচ্ছগ্রাম।

বিস্তারিত আসছে…