কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বন্দুক নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তিন মামলায় গ্রেফতার নেই শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ১১:৪০ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২১ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অবান্তর স্ট্যাটাস-কমেন্টসকে কেন্দ্র করে থানায় জিডি পরবর্তিতে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং অস্ত্রবাজীতে রণক্ষেত্র হয়েছে সমস্থ গ্রাম।দুই পক্ষই ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়নের নিজগাও গ্রামে।একই গ্রামের ইউ/পি চেয়ারম্যান ও মেম্বার সমর্থকদের মধ্যে গত ১৫ মে সংঘঠিত ভোর ৫ টা থেকে লাগাতার ৫ ঘন্টা ব্যাপী বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ধারা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৮০ জন আহত হয়েছে। আহতদের পার্শ্ববর্তি ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে প্রেরণ করা রয়েছে। ঘটনার পর পরই সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দুই পক্ষের প্রধান ইউ/পি চেয়ারম্যান হাজী কুটি ও কুদ্দুছ মেম্বারকে আটক করে ৫১ ধারায় আদালতে প্রেরন করলেও পরদিন তারা জামিনে বেরিয়ে আসে। ঘটনার প্রায় ১৪ ঘন্টা পরে সংঘর্ষে ব্যবহৃত একনলা একটা দেশীয় অবৈধ বন্দুক পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মুজিবুর রহমান চৌধুরী। ঘটনা দুইদিন পর (১৮ মে) দুই পক্ষই থানায় এজাহার দায়ের করেছে।চেয়ারম্যান পক্ষের মামলার বাদী হোন বজলু মিয়া। যার মামলা নং ২১ এবং মেম্বার পক্ষের মামলার বাদী হোন বুরহান। যার মামলা নং২২।এছাড়াও সংঘর্ষে ব্যবহৃত একটা অবৈধ এক নলা বন্দুক উদ্ধার হওয়ায় কোম্পানীগঞ্জ থানার সাব ইন্সপেক্টর নবী হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ইছাকলস ইউ/পি মেম্বার কুদ্দুছ গ্রুপের জমসেদ নামের এক যুবক ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়।এতে চেয়ারম্যান গ্রুপের কয়েকজন ক্ষিপ্ত হোন। এঘটনার রেশ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।এক পর্যায়ে ঈদের দ্বিতীয় দিন ভোরে কুদ্দুছ মেম্বারের বাড়ির সামনে এসে কুটি মিয়া চেয়ারম্যান গ্রুপের কয়েকজন এসে অস্ত্র উঁচিয়ে ঘটনার সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। চেয়ারম্যান গ্রুপের কয়েকজন অবৈধ বন্দুক দিয়ে গুলি শুরু করলে কুদ্দুছ মেম্বার গ্রুপের প্রায় ১৩ জন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের প্রায় ৮০ জন সংঘাতি আহত হয়।ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ডিবি ও পুলিশের মাধ্যমে সংঘর্ষ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।এঘটনায় এলাকায় থমথমে বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ঘটনা পরপর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।দায়ীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। (সি/স-১৮ মে-তা/ই) Download News PhotoCard SHARES অপরাধ বিষয়: