বুড়িচংয়ে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগ,অন্তরালে প্রেমঘটিত ঘটনা শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২১ কাজী খোরশেদ আলম,বুড়িচং(কুমিল্লা) সংবাদদাতা:-কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আরাগ আনন্দপুর গ্রামের লতিফ মাষ্টারের বাড়ীর মোঃ আঃ আলীমের মেয়েকে এইক গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে মোঃ সজিব ও মনির হোসেনসহ অজ্ঞাত মনির হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের সহযোগীতায় অপহরন করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহরনের শিকার কিশোরী ফজলুর রহমান মেমোরিয়্যাল কলেজ অব টেকনোলজির ১০ শ্রেণীর ছাত্রী। এই ব্যাপারে মেয়ের মা মোসাঃ শাহানা বেগম বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, আরাগ আনন্দপুর গ্রামের লতিফ মাষ্টারের বাড়ীর মোঃ আঃ আলীমের মেয়ে বুড়িচং ফজলুর রহমান মেমোরিয়্যাল কলেজ অব টেকনোলজির ১০ শ্রেণীর ছাত্রীকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে একই গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে মোঃ সজিব বিভিন্ন সময় অশ্লীল কথাবার্তা বলে উত্ত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক হয়। উক্ত বিষয়টি জানাজানি হলে সজিবের অভিভাবকদেরকে বিষয়টি অবহিত করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৪ আগষ্ট বিকালে ছাত্রীটি প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ী থেকে বের হয়ে ফজলুর রহমান মেমোরিয়্যাল কলেজ অব টেকনোলজির গেইটের সামনে আসলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরন করে নিয়ে যায়। মেয়ের বাবা মোঃ আঃ আলীম জানান, পূর্ব পরিকল্পনা হিসেবে আমার নাবালক মেয়েকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে অপহরন করে নিয়ে গেছে। আমরা সমাজের বিভিন্ন সাহেব সর্দারগণকে বিষয়টি অবহিত করে কোন প্রকার সমাধান না পেয়ে বুড়িচং থানায় আমার স্ত্রী মোসাঃ শাহানা বেগম মামলা দায়ের করে। মামলা দায়ের করার পর বুড়িচং থানা পুলিশ মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার ডাইনছড়ি মেয়েকে উদ্ধার করে এবং আসামীদেরকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। বর্তমানে মেয়ে আমার বাড়ীতে রয়েছে। এরই জের ধরে অপহরনকারীদের আত্মীয়-স্বজনরা বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোন মর্হুতে আমাদের উপর বড় ধরনে হামলা হতে পারে। আমি প্রশাসনের নিকট আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই। আরাগ আনন্দপুর গ্রামের মোঃ জামাল হোসেন মেম্বার জানান, দুইজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সর্ম্পক রয়েছে। প্রেমের সর্ম্পকের জের ধরে উভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছে। আমরা গ্রামের সাহেব সর্দারগণ উভয় পরিবারের মধ্যে মিল মীমাংসা করার চেষ্টা করছি। তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তফা আল মামুন বলেন, মেয়ের মা মোসাঃ শাহানা বেগমের মামলার ভিত্তিতে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার ডাইনছড়ি থেকে মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামীদেরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মেয়েকে তার বাবা মায়ের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। (সি/স-১০ আগস্ট-তা/ই) SHARES অপরাধ বিষয়: