বাংলাদেশে মানব পাচারকারীর সংখ্যা ৪৭০,সিলেট বিভাগে ৩৭ জন

প্রকাশিত: ১:১০ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০

বাংলাদেশে মানব পাচারকারীর সংখ্যা ৪৭০,সিলেট বিভাগে ৩৭ জন

বাংলাদেশে মানব পাচারকারীর সংখ্যা ৪৭০,সিলেট বিভাগে ৩৭ জন

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-দেশে মানবপাচারকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সিলেটসহ সারাদেশেই দিন দিন তাদের অপতৎপরতার জাল বাড়ছেই। মানবপাচারকারীদের অপকর্মে বাংলাদেশকে এ সংক্রান্ত তালিকায় ‘টায়ার-টু’ তথা নজরদারির তালিকায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

মানবপাচারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি দেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা সারাদেশে মানবপাচারকারীদের তালিকা করেছে। সে তালিকায় নাম আছে ৪৭০ জনের, তন্মধ্যে সিলেট বিভাগের ৩৭ জন।

সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা সংস্থার ওই তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এ তালিকা ধরে মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে।

গোয়েন্দা সংস্থার মানবপাচারকারীদের তালিকায় সিলেটের ৮ জনের নাম আছে। তারা হলেন- সিলেটের গোলাপগঞ্জের এনাম আহমদে (নিউ ইয়াহিয়া ওভারসিজের মালিক), আম্বরখানার নজির আহমেদ (মেট্রো এয়ার ইন্টারন্যাশনালের মালিক), মাহমুদুর রহমান চৌধুরী শিপু (আল রাফা ইন্টারন্যাশনালের মালিক), জিন্দাবাজারের তাজ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরের মালিক হাসান আহমদ, দেলোয়ার হোসেন খান ও হাসান আব্দুল গণি, বিশ্বনাথের কাকলিপাড়ার রফিকুল ইসলাম এবং গোলাপগঞ্জের শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের জায়েদ আহমদ।

এদের মধ্যে হাসান আব্দুল গণি কানাডায় পালিয়ে গিয়ে সেখানে স্থায়ী হয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

তাকিলায় সুনামগঞ্জের ৯ মানবপাচারকারীর নাম আছে। এরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদরের আহমদ রওশনের ছেলে কোরবান আলী ও মোহনপুরের আব্দুল মনাফের ছেলে আফাজ উদ্দিন, ছাতকের কালারুকার শামীম মিয়া, রামপাশার পারভেজ মিয়া, বাউশার রোকন মিয়া, শমছু মিয়া, জানিগাঁওয়ের শহীদুল হক, কান্দিগাঁওয়ের ফয়জুল ইসলাম এবং করিমপুরের এনামুল হক।

হবিগঞ্জের ২০ জনের নাম আছে মানবপাচারীদের তালিকায়। তারা হলেন- হবিগঞ্জ সদরের প্রবাসী সীতেশ চন্দ্র দাস, পাইকপাড়ার ফজলু মিয়া, শাহবাজ, নিতাই চরের জহুর আলী, মাহমুদাবাদের হাসান মিয়া, বানিয়াচংয়ের মিয়া, আজমিরীগঞ্জের জাহের আনসারী, সৌদিপ্রবাসী মো. আব্দুল্লাহ, পাথারিয়ার কোহিনুর আলম, নোয়াগাঁওয়ের মোতাহের মিয়া, নবীগঞ্জের লুৎফুর রহমান মাখন, আব্দুল কাইয়ুম, দিলবাহার আহমেদ, কায়স্থগ্রামের মুহিদ মিয়া, মাহমুদপুরের তনু মিয়া, কালাম মিয়া, বৈঠাখালের ফুল মিয়া, দুর্গাপুরের আঙ্গুর মিয়া, অলিউর রহমান ও ভানুদেবের জাবেদ আলী।

জানা গেছে, মানবপাচার ঠেকাতে এ সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য সিলেটসহ দেশের সাতটি বিভাগে পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।