সিলেটে ডিস সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ৪:৩৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২২ সিলেটের এয়ারপোর্ট এলাকায় ডিস লাইনের বিল আদায় করা নিয়ে মহিলাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন ডিস মালিক পক্ষ। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় এয়ারপোর্ট এলাকার মংলীপারে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাসূত্রে জানা যায়, এয়ারপোর্টের মংলীপারের ফরিদ মিয়ার বাসায় সিলেট ক্যাবল সিস্টেম প্রাইভেট লিঃএর ডিস সংযোগ ছিল। বিগত কয়েক মাস যাবত ফরিদ মিয়া ডিস সংযোগ বিল প্রদান করলেও মালিকপক্ষ টাকা গ্রহণের রশিদ প্রদান করে নাই। মালিক পক্ষ পূর্বের প্রদেয় টাকা অস্বীকার করে আরও টাকা প্রদানের জন্যে তাগিদ দেয়। টাকা না দিলে ডিস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিবেন বলে হুমকি প্রদান করেন। এই নিয়ে সিলেট ক্যাবল সিস্টেম প্রাইভেট লিঃ পক্ষের শহিদুল ইসলাম শহিদ, মাহবুব ও রবিউল ইসলাম নামক তিনজন ব্যক্তি ফরিদ মিয়ার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তারা ফরিদ মিয়ার বাসায় টেলিভিশনের ডিস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে তার বাড়িতে যায় এবং ডিসের ওয়ার খুলে নিয়ে আসতে চেষ্টা করেন। ডিস সংযোগ বিচ্ছন্নকালে ফরিদ মিয়ার বোন কুলসুমা বেগম বাধা দিলে তার পরনের কাপড় ধরে টানাটানি করেন শহিদুল, মাহবুব ও রবিউল। কুলসুমা বেগম প্রতিবেদককে জানান ডিস সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে বাধা দিলে শহিদুল,মাহবুব ও রবিউল আমার শ্লীলতাহানি করেন এবং আমার কানের ঝুমকা খুলে নিয়ে গেছেন। এক পর্যায়ে তারা আমাকে মারধর করেন। আমার ঘরের চালে ইটের টুকরো দিয়ে বারবার ঢিল ছুড়েন। তাদের হামলায় বাড়ির শিশুবাচ্চারা আতঙ্কিত হয়ে পরেন। আবারও যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। আমরা এখন অনেক আতঙ্কিত। ঘটনার পরপরই কুলসুমা বেগম বাদি হয়ে সিলেট ক্যাবল সিস্টেম প্রাইভেট লিঃএর এরিয়া ইনচার্জ শহিদুল, সুপারভাইজার মাহবুব ও লাইনম্যান রবিউল ইসলামকে আসামী করে এয়ারপোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে বাদীর ভাই ফরিদ বলেন, আমি এই এলাকায় ভাড়া থাকি। নিরীহ প্রকৃতির মানুষ আমি। আসামিপক্ষ এলাকার প্রভাবশালী। ডিস সংযোগ বিচ্ছিন্ন কালে তারা আমার বাড়িতে দেশিয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে হামলা করে। প্রাণ বাচাতে আমি ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সাহায্য চাই। হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে, সিলেট ক্যাবল সিস্টেম প্রাইভেট লিঃএর এরিয়া ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, ঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা। তারা ডিস বিল দিতে অপারগ তাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়েছিলাম। এ সময় তারা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করেন। সেজন্যে কোম্পানির পক্ষ থেকে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। এ ব্যাপারে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মুহাম্মদ মাইনুল জাকির প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তদন্তের মাধ্যমে মূলঘটনা কি তা জানা যাবে। আমি এখন ব্যস্ত আছি পরে কথা হবে বলে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। SHARES গণমাধ্যম বিষয়: