করোনা আতঙ্কে কোম্পানীগঞ্জ

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২০

 

ষ্টাফ রিপোর্টার:-দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারী ভোলাগঞ্জ ধলাই নদী। ধলাই নদী সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অবস্থিত। সারাদেশসহ বিদেশেও কোম্পানীগঞ্জের পাথরের বেশ সুখ্যাতি আছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার ট্রাক কোম্পানীগঞ্জ থেকে পাথর লোড করে নিয়ে যেতো।

সম্প্রতি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার দেশের অনেক জেলাকে লকডাউন করে রেখেছে। সেই সব জেলার বাসিন্দাসহ যেকোন ধরনের যানবাহন পরিবহনের ক্ষেত্রেও জেলায় প্রবেশ ও বাহিরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। শুধুমাত্র খাদ্য এবং ঔষধ সামগ্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে শিথিল রাখা হয়েছে। কিন্তু সিলেটের পাথর পরিবহন সেক্টর মানছেনা উক্ত নির্দেশনা। দেশের অন্যান্য জেলা থেকে পাথর পরিবহনগুলো না আসলেও থেমে নেই সিলেটের মালিকানাধীন ট্রাকগুলোর পাথর পরিবহন কার্যক্রম।

সিলেটের পাথর সমৃদ্ধ উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট থেকে শত শত ট্রাক রাতের আধারে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে। আবার দুই এক দিন পরে ফিরেও আসছে।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাও এখন করোনাঝুঁকিতে রয়েছে। এই উপজেলার অর্ধশতাধিক মালিকানাধীন ট্রাক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাথর পরিবহনে করছে। প্রশাসনের চোঁখকে ফাকি দিয়ে রাতের অন্ধকারে পাথর লোড করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে। আবার ফিরেও আসছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে সেই সব ট্রাক ড্রাইভারধারাই কোম্পানীগঞ্জে করোনা প্রবেশ করতে পারে।

১৭ এপ্রিল শুক্রবার রাতে উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের ৪ জন ট্রাক ড্রাইভার নারায়নগঞ্জ থেকে ফিরে এসেছেন। এদের সবাইকে হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

আরও কয়েকজন ফিরছেন বলে জানান স্থানীয় কয়েকজন। সেই ড্রাইভাররা বেশিরভাগ উপজেলার টুকেরগাঁও, তৈমুরনগর, ইসলামপুর ও রাজনগর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

সিলেটে লকডাউন চলাকালীন সময়েও অন্যান্য জেলার সাথে ট্রাক চলাচল বন্ধ না করায় খুব উদ্বিগ্ন আর উৎকন্ঠায় আছেন কোম্পানীগঞ্জের জনসাধারণ।

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সজল কুমার কানুর মোবাইল ফোন ব্যস্ত থাকায় কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

(সি/স-১৮ এপ্রিল-তা/ই)