কোম্পানীগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি মানেনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের অতিথিরা Desk Desk News প্রকাশিত: ১১:৪৯ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২১ নিজস্ব প্রতিবেদক:-স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত করে শেষ হয়েছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে উপজেলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (অনূর্ধ্ব-১৭)। রবিবার (৩০মে) বিকালে ভোলাগঞ্জ উদয়ন ক্লাব ফুটবল মাঠে তেলিখাল ইউনিয়ন বনাম উত্তর রনিখাই ইউনিয়নের ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে শেষ হয়েছে খেলা। কোম্পানীগঞ্জে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তেলিখাল ইউনিয়ন ফুটবল দল। এর আগে গত শনিবার সকাল ১০টায় ভোলাগঞ্জ উদয়ন সংঘ ফুটবল মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য। তবে খেলার আয়োজক থেকে শুরু করে বেশির ভাগ অতিথিরা স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে ছিলেন উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল খেলার পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রিত অতিথিদের অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানেনি পড়েনি মাস্ক। এদের মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এরশাদ মিয়া, মাস্ক ছাড়া শত শত মানুষের পাশে কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। উপস্থিত শত শত দর্শকদের মাঝে মাস্ক ছাড়া উনার ছবি ফেসবুকে পোষ্ট করে লিখেছেন কোম্পানীগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদ মিয়া বিভিন্ন সময় ও তারিখে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মাস্ক না পরার দায়ে পাঁচ শত টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করেছেন। কিন্তু আজ তিনি শত শত মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়েছেন মাস্ক ছাড়া। এমন কি খেলায় অংশ গ্রহণ করা খেলোয়াড়দের সাথে কৌশল বিনিময়েও করেছেন মাস্ক ছাড়া। উনার জরিমানা কে করবেন। এদেশের আইন কি শুধু মাত্র গরীবদের জন্য এমন প্রশ্ন করেছেন সাধারণ মানুষের। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ডেউ চলাকালীন সময়ে হাজারো ক্রীড়ামোদী দর্শকের সামনে অতিথিরা মুখে মাস্ক না ব্যবহার করে এবং সামাজিক দূরত্ব না মেনে অবস্থান করায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত সচেতন নাগরিকেরা বলছেন মাস্ক ব্যবহার না করার কারনে এসিল্যান্ড সাহেব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাধারণ মানুষকে জরিমানা করলেও তিনি নিজে মানছেন মাস্কবিধি কেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরশাদ মিয়া, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এড. মাহফুজুর রহমান, ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ জামাল উদ্দিন, দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিদ্দিকুর রহমান রোকন, কোষাধ্যক্ষ রাসেল আহমদ, সিলেটের ডাক কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি আবিদুর রহমানসহ বিভিন্ন ক্লাবের ক্রীড়া সংগঠক ও শত শত দর্শক। উপস্থিতিদের বেশির ভাগই স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত করেছেন। গত ৩ এপ্রিল উপজেলার টুকেরবাজারের এক স্টেশনারী ব্যাবসায়ীকে মাস্ক না ব্যবহার করায় ২০ দিনের কারাদন্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য। এছাড়াও গত ২৭ মে টুকের বাজারে আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরশাদ মিয়া। এ সময় তিনি মাস্ক ব্যবহার না করার দায়ে একাধিক ব্যক্তিকে আর্থিক জরিমানা করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরশাদ মিয়া বলেন, মাস্ক ছাড়া আমি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলাম এই কথাটি মিথ্যা। আমি মাস্ক পড়েই গিয়ে ছিলাম কোন কারণে মুখ থেকে মাস্ক খুলেছিলাম এই সুযোগে কেউ হয়তবা ছবি তুলে ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে নিজে ভাইরাল হতে চাচ্ছে। উপস্থিত অনেকেই ত মাস্ক পড়ে নাই তাদেরকে নিয়ে কেউ আলোচনা করছে না। আমার বিষয়টি নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কাজ করছে একটি মহল। (সি/স-৩০ মে-তা/ই) SHARES গণমাধ্যম বিষয়: