দুই পরিবারের ঘর পাওয়ার আশ্বাস:অন্য পরিবারটি কি ঘর পাবে? Desk Desk News প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০২১ নিজস্ব প্রতিবেদক:-সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বর্ণিগ্রামের তিনটি পরিবারের মাথা গুজার একমাত্র ঠাই বসত ঘর গুলো পুড়ে যাওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় জনহৈতেষী,উপজেলা প্রশাসন,প্রবাসী সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। গতকাল সিলকো সংবাদ’র ফেইসবুক ভেরিফাইড পেইজ থেকে একটি লাইভ দিলে টনক নড়ে উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যে।তারই ধারাবাহীকতায় উপজেলার খাগাইল গ্রামের ইকবাল হোসেন ইমাদ অসহায় এই খতিগ্রস্থ পরিবারের জন্যে একটি আর্থিক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্টানের আয়োজন করেন।সেখানে প্রবাসী ও স্থানীয় বিত্তশালী ব্যাক্তিরা এগিয়ে আসেন।অনুষ্টানে প্রবাসী ও স্থানীয়রা প্রায় ৫০ হাজার টাকা নগদ অর্থ প্রদানের আশ্বাস দেন। এছাড়াও কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম নজরুল জাহান কাজল খতিগ্রস্থ পরিবারদেরকে ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদানের আস্বাস দেন। এছাড়াও আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্যের নির্দেশে উপজেলা পিআইও অফিসার বিদ্যুৎ কান্তি দাসের নেতৃত্বে একটি প্রদিনিধি দল আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলো পরিদর্শনে এসে দূর্যোগ সহনীয় দুইটি ঘর প্রদানের আশ্বাস দেন।আগুনে পুড়ে যাওয়া দুইটি পরিবার ঘর পাওয়ার আশ্বাস পেলেও এখনো এক পরিবারের ঘর প্রাপ্তিতে নিশ্চিত হতে পারেনি।সেই পরিবারটি কি করে ঘর তৈরি করবে সে ভাবনায় দিন পার করছে।উদ্ভেগ ও আশংকায় দিন পার করছে।ঘর না পেলে সেই পরিবারের ৫/৬ জন্যের সদস্যরা হয়তো অন্যের বাড়িতে থাকতে হতে পারে। উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) বেলা ২ টা ৩০ মিনিটের সময় বৈদ্যুতিক শর্ক শার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে মুহুর্তেই তিনটি পরিবারকে ঘটনা ঘটে। বিদ্যুতের শর্ক শার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয় বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এখলাছুর রহমান জানায়, বৃহস্পতিবার বিদ্যুতের শর্ক শার্কিট থেকে বর্ণিগ্রামের গেদা মিয়া এর ঘরে আগুন ধরে গেলে মুহুর্তেই আগুন তার পিতা মনাফ মিয়া ও ছোট ভাই লাল মিয়ার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের চেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও আগুনে ৩ বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্থ গেদা মিয়া জানায়, পরিবারের সবাই বিভিন্ন কাজে ঘরের বাহিরে অবস্থায় আগুন ধরে গেলে মুহুর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনটি ঘরে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে আনুমানিক ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ক শার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন বন্ধ হওয়ার পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে আসেন। আর্থিক তহবিল গঠন অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল হোসেন ইমাদ,ইউ/পি সদস্য রইছ মিয়া,মাওলানা সুহেল আহমদ, মাওলানা আবুল হোসেন,দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাচ্ছা মিয়া,দক্ষিণ রণিখাই ছাত্রকল্যাণ সংস্থার সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রমুখ। (সি/স-১০ এপ্রিল-তা/ই) SHARES গণমাধ্যম বিষয়: