দোয়ারায় বিয়ের তথ্য গোপন করে মহিলা পুলিশে চাকুরি Desk Desk News প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২২ দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি:-বিয়ের তথ্য গোপন করে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ৮নং বোগলা বাজার ইউনিয়নের বহর গাঁও গ্রামের সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমি নামে এক ব্যক্তি মহিলা পুলিশে নিয়োগ লাভের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য গোপন কারী মহিলার এহেন কার্যকলাপে এলাকা জোরে বিশিষ্টজন ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলা বাজার ইউনিয়নের বহর গাঁও গ্রামের মৃত পীর সৈয়দ আব্দুল মন্নানের ২য় মেয়ে। স্থানীয়রা জানান ৭ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করা অবস্থায় লন্ডন প্রবাসী তার আপন ফুফাতো ভাই আব্দুল কাদিরে সঙ্গে বিনা কাবিনে ২০১৩ সালে হুজুর দিয়ে বাল্য বিবাহ হয়। এক বছর সংসার জীবন শেষে ২০১৪ সালে বিয়ে বিচ্ছেদ পরিসমাপ্তি ঘটে জায়গা সম্পদ ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে, পারুল সুলতানা সুমির পিতার মৃত্যুবরণ করার পর, ২০২১ সালে পুলিশ নিয়োগে সে বিয়ের তথ্য গোপন করে মহিলা পুলিশে প্রাথমিক ভাবে নিয়োগ পান। পুলিশের নিয়োগ লাভের পর দোয়ারাবাজার থানার এসআই অরূপ বিশ্বাস সরেজমিন পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে রহস্যজনক কারণে সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমিকে অবিবাহিত যুবতী বলে সংশ্লিষ্ট দফতরে ভিয়ার প্রেরণ করেন। বর্তমানে সে সিলেট রেঞ্জের অধীনস্থ পুলিশের ট্রেনিংগে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এবিষয়ে বারবার সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমির মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি। বিয়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে একই গ্রামের ইউপি সদস্য মো.আকবর আলী তালুকদার জানান, সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমির তখন বিয়ের বয়স না হওয়ায়, বিয়েটা ছিল বাল্য বিয়ে তাই বিয়ের কাবিন হয়নি। একই গ্রামের বাসিন্দা প্রবীন মুরব্বী মোঃ তাজুদ আলী তুতি বলেন, আনুমানিক ৭/৮ বছর হবে পারুল সুলতানা সুমির ফুফাতো ভাইয়ের সাথে বিয়েতে আমি ও দাওয়াতি ছিলাম। একই গ্রামার বাসিন্দা সুনামগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের এ পি পি এডভোকেট ছায়াদুর রহমান তালুকদার বলেন, সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমি আমার আপন তালতু বোন, এবং লন্ডন প্রবাসী মোঃ আব্দুল কাদির আমার আপন তালতু ভাই। তারই ভাইর সাথে আমার বোনের বিয়ে হয়েছে, আমার বোন ও ভাগিনা ভাগিনী বর্তমানে লন্ডনে আছে, আমি এ বিয়েতে ছিলাম, প্রায় এক বৎসরের উপরে তাদের সংসার ভালো ভাবে চলছিল, জায়গা সম্পদের ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়, লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদির আমাদের গ্রামে আবার বিয়ে করেছে তার ঘরে বাচ্ছাও আছে, বোগলাবাজার ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য একই এলাকার শালিস ব্যাক্তিত্ব সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমির একান্ত আপন লোক সাবেক ইউ/ পি সদস্য মনিরুল ইসলাম বাবুল মেম্বার জানান, সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমির তার লন্ডন প্রবাসী ফুফাতো ভাইয়ের সাথে বাল্য বিয়ে হয়। সে সময় তার বিয়ের বয়স না হওয়ার কারণে হুজুরের দ্বারা বিয়ে পড়ানো হয়েছিল, দুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল আমিও বিয়ের দাওয়াত খেয়েছি ,। বোগলাবাজার ইউনিয়নের নব নির্বাচিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার বিজয়ী চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিলন খাঁন বলেন বহরগাঁও গ্রামের পীর সৈয়দ আব্দুল মন্নান সাহেবের মেয়ে সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমির বিয়ে লন্ডন প্রবাসী মোঃ আব্দুল কাদিরের সাথে বিয়ে হয়েছিল শতভাগ সত্য এবং এক বৎসরের উপর তাদের সংসার জীবন ছিল তাহাও সত্য, জমিজমার ভাগ ভোটোয়ারা নিয়ে অনেক ঝামেলা তৈরি হয়েছিল আমি ৭/৮ বার তাদের বাড়িতে শালিস বিচারে গিয়েছি। একজন বিবাহিতা মেয়ে অবিবাহিতা বলে পুলিশে চাকুরী নেয় তাহা আমার জানা নেই। দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেবদুলাল ধর বলেন, সৈয়দা পারুল সুলতানা সুমির বাল্য বিয়ে হয়েছিল এলাকা বাসীর অনেকের মুখ থেকে শুনেছি। কিন্ত বিয়ের কোন কাগজ পত্র পাওয়া যায়নি বলে আমি উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র পাঠিয়েছি । SHARES অপরাধ বিষয়: