অপরিকল্পিত নগরায়ণ বৃদ্ধির ফলে কমছে কৃষি জমি Desk Desk News প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৫, ২০২০ কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:-দেশের মাথাপিছু আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ অতি সামান্য। এরই মধ্যে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও আবাসনে দ্রুত কমে যাচ্ছে কৃষি জমি। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এছাড়া, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পরিবেশ। সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৬ থেকে ৭০ সালের ভূমি জরিপের (রেকর্ড) আর.এস খতিয়ান মতে হোসেনপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট আয়তন ১২১.২৯ বর্গ কি:মি:। মোট খতিয়ান-২৯৫৬৪ একর। মোট জমির পরিমান ২ হাজার ৮৪০ একর। মোট কৃষি জমির পরিমান ১ হাজার ৮১৮ একর। বাড়ি, ঘর, দোকান পাট, চাতাল, ইটভাটা, স্কুল-কলেজ, রাস্তা-ঘাট, অফিস-আদালত, বিল, ডোবা, নদী, বাঁধসহ অন্যান্য অকৃষি জমির পরিমাণ ৬০০ একর। স্বাধীনতার পর থেকে কৃষি জমিতে বাড়ি ঘরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণের ফলে ৩০০ একর কৃষি জমি জ্যামিতিক হারে কমেছে। সেক্ষেত্রে উপজেলায় মোট কৃষি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৮১ দশমিক ৭ একর। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান, একদিকে অপরিকল্পিত ভূমি ব্যবহারে কৃষি উৎপাদনে বিরুপ প্রভাব। অপরদিকে বিল ঝিল ভরাট করার পর পানি সংকট সৃষ্টি এবং বৃক্ষ নিধন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। হারাচ্ছে জীব বৈচিত্র এবং পানির স্তর। ফলে বিরুপ প্রভাব পড়ছে কৃষির উপর। উপজেলায় কৃষি জমি হ্রাস রোধ করতে না পারলে উৎপাদন কমে খাদ্য ঘাটতিসহ ব্যাপক বিপর্যয় নেমে আসবে। উপজেলার সচেতনমহল বলেছেন, অপরিকল্পিত ঘরবাড়ি, অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করা জরুরি। এ জন্য প্রয়োজন গণসচেতনতা ও গণআন্দোলনের। কালবিলম্ব না করে কৃষি জমি সংরক্ষণে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কৃষি জমি রক্ষার একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করা হোক। এ ব্যাপারে হোসেনপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াহিদুজ্জামান জানান, বাসাবাড়ি নির্মাণের জন্য ভূমি অফিসের অনুমতি নিতে হয়। তবে অনেকেই এ নিয়ম মানছে না বিধায় এই সংকট দেখা দিচ্ছে বলে জানান তিনি। (সি/স-২৫ ডিসেম্বর-তা/ই) SHARES জাতীয় বিষয়: