কোম্পানীগঞ্জে বাড়ছে বন্যার পানি বিপাকে কৃষকরা Desk Desk News প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২২ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রধান “ধলাই নদী” সহ সব কয়টি নদীর প্রবেশমুখ দিয়ে ভারতের মেঘালয়ে সৃষ্টার বর্ষার পানি প্রবেশ করছে। ইতো মধ্যে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে পাকা বোরো ধান। তলিয়ে গেছে দানাদার ফসল চিনাবাদাম সহ মাচায় চাষকৃত বিভিন্ন রকমের সবজী। ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন এলাকার বাহাদুরপুর,নভাগী,বটেরতল,ঘোড়ামারা,ইসলামপুরের অনেক বোরো ধান কাটার আগেও তলিয়ে গেছে। অল্প কয়েকদিন পরেই ধান কাটক শুরু হতো এছাড়াও পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের ঢালারপাড়,রাজনগর,খায়েরগাও,মোস্তফানগর সহ একাধিক এলাকার পাকা বোরো ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলার ছয়টি এলাকায় প্রায় ৩৫/৩৬ গ্রামে এখনো বোরো ধান কাটার বাকি রয়েছে। এইসব এলাকার কৃষকদের মাথায় হাত। অনেক কৃষক পানির নিচ থেকে তাদের স্বপ্নের সোনালী ফসল অতিরিক্ত মজুরি দিয়ে কেটে অপেক্ষাকৃত উচু স্থানে মজুদ করেছে। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকার কারনে মারাই করতে পারছেনা। অনেকে মারাই করতে পারলেও ধান শুকাতে পারছেনা। যারফলে পানির নিচ থেকে কেটে আনার সোনালী ধান আবার পচতে শুরু করেছে। এছাড়াও উপজেলার ইসলামপুর,তৈমুরনগর,খায়েরগাও,রাজনগর,মোস্তফানগর,বুড়দেও সহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের উচু স্থানে রোপায়িত বাদাম ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেকে কয়েকফুট পানির নিচ থেকে বাদাম তুলে আনলেও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারনে উত্তোলিত ফসল চুখের সামনেই পচতে তা দেখতে হচ্ছে। সবজী ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বর্তমানে বন্যার পানি অত্যাধিহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় শতাধিক গ্রামের মানুষ পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে। সুপেয় পানি ও খাবারের কষ্টে আছে দৈনিক শ্রমজীবি পরিবারের অনেক সদস্য। ঘাসের মাঠ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় গবাদী পশুখাদ্য সঙ্কটের মুখে। গরু ছাগল মিয়ে বিপাকে আছে অনেক এক গবাদি পশু মালিক। নিম্নাঞ্চলের পানি বন্দি মানুষরা সাহায্যের জন্যে অপেক্ষায় থাকলেও প্রশাসন কিংবা নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাহায্য পায়নি। সূত্রে পাওয়া আগামীকাল থেকে সরকারীভাবে প্লাবিত নিম্নাঞ্চলে শুকনো খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেওয়ার কাজ শুরু হতে পারে। বিস্তারিত আসছে… SHARES প্রচ্ছদ বিষয়: