জৈন্তাপুরে ৯ম শ্রেনীর কিশোরী ‘নিখোঁজ’

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২২

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: জৈন্তাপুর উপজেলাধীন চিকনাগুল থেকে নবম শ্রেণিতে স্কুল পড়ুয়া কিশোরী নিখোঁজ এর ঘটনা ঘটছে। নিখোঁজ কিশোরীর নাম মাহফুজা জামান রিহা(১৫) তবেও নিখোঁজের ৮দিন পেরহলেও এখনোও রিহা”র হদিস মেলেনি।

মাহফুজা জামান রিহা সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ঠাকুরের মাটি (পশ্চিম চটি) গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী নুরুজ্জামান এর মেয়ে।

এ ঘটনায় নিখোঁজ তরুণীর সন্ধানে বিভিন্নস্থানে ও স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তাকে না পাওয়ায় জৈন্তাপুর থানায় তার মা আফিয়া আক্তার জিডি করলেও পরবর্তীতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামিরা হলেন এসএমপি এয়ারপোর্ট থানা আম্বর খানা এলাকার বাসিন্দা আফতাবুল হক ( বাবুলের) পুত্র ১/মোঃ সোহানুর রহমান সোহান (২২) ২/ আফতাবুল হক বাবুল (৪৮) পিতাঃ অজ্ঞাত ৩/ খাদিজা আক্তার সুমি(৪১) স্বামী আফতাবুল হক সর্বসাং- আম্বর খানা কাস্থবীর এয়ারপোর্ট থানা সিলেট মামলায় আরো ৩,৪ জনকে অজ্ঞাত রাখা হয়েছে।

মামলা সুত্রে জানাযায় মাহফুজা জামান রিহা জালালাবাদ ক্যান্টঃ বোর্ড হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী সে গত সোমবার ৯ই মে অনুমান বিকেল ৩ ঘটিকায় নিয়মিত কোচিং ক্লাসে এ যাওয়ার উদ্দেশ্য জৈন্তাপুর থানাধীন ঘাটেরচটি তামাবিল মহাসড়ক এর পাশে চিকনাগুল মাদ্রাসা গেইট সম্মুখে গাড়ীর জন্য অপেক্ষা করাকালীন সময়ে ঘটনার তারিখ ও সময়ের পূর্বে উৎপাতিয়া থাকা বিবাদী সোহানুর রহমান সোহান ও তার সহযোগী অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জন একটি প্রাইভেট কার গাড়ি নিয়ে বর্ণিত ঘটনা স্থল হতে ভিকটিম কে টানা হেছড়া করে গাড়ীতে উঠাইয়া অপহরণ করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভিকটিম মাহফুজা জামান রিহা এর আত্ম চিৎকার শুনে পথচারী লোকজন উদ্ধার করার চেষ্টা করিলে বিবাদী সোহানুর রহমান সোহানের সাথে থাকা অজ্ঞাত বিবাদীগনের সহায়তায় তারা দ্রুত ঘটনা স্থল হতে প্রাইভেট কার যোগে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিম মাহফুজা জামান রিহার মা আফিয়া আক্তার জানান আমার স্বামী প্রবাসে থাকেন অনেক কষ্ট মেয়েকে বড় করতেছি পড়ালেখা করাচ্ছি আমার অবুঝ মেয়েকে এভাবে অপরাধীরা অপহরণ করে আমাদের আশা ভরসা স্বপ্ন ভেঙ্গে দিবে স্বপ্নেও ভাবিনি আমার মেয়ে সবে মাত্র ক্লাস নবম শ্রেণিতে পড়ে। আমি আমার মেয়েকে অক্ষত সুস্থ অবস্থায় ফেরত চাই, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট অনুরোধ করছি আমার মেয়ে কে আমার কোলে ফিরিয়ে দিন।

এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর শাহিদ মিয়া জানান অভিযোগ পেয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে আমরা নিখোঁজ ভিকটিম কে উদ্ধারে কাজ করছি আশাবাদী শীঘ্রই তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হব। এ ঘটনায় যারা জড়িত রয়েছে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।