কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে আবাসিক এলাকায় বালু উত্তোলন

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:-কোম্পানীগঞ্জের অসহায় ও ভূমিহীন হতদরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের বসবাসের জন্যে সরকারীভাবে নির্মিত আদর্শ গ্রামের (গুচ্ছগ্রাম) বালু ও পাথর বৃহত্তর ভোলাগঞ্জ এলাকার মধ্যে উন্নত।মাটির উপরাংশ সরালেই মিলে মূল্যবান এই খনিজ সম্পদ।তাই উপজেলার বড় বড় লুটেরা ও চাঁদাবাজদের লুটেরা দৃষ্টি পরে থাকে এই আদর্শ গ্রামের উপর।দিনের বেলায় বালু উত্তোলন করা হলেও রাতের আধারে চলে পাথর উত্তোলন।

কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে আবাসিক এলাকায় বালু উত্তোলন

আদর্শগ্রাম (গুচ্ছগ্রাম) এর উত্তরাংশ এখন বালু খেকুদের দখলে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার সময় গুচ্ছগ্রামের কিনারাঘেষে অর্ধশত নৌকায় অবৈধ লিস্টার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।চাঁদাবাজরা প্রতিটি নৌকা থেকে ৫/৮ হাজার টাকা জোর করে আদায় করছে।প্রতিবাদ করাতো দুরের কথা পুলিশকে অবগত করলে অমানুষিক নির্যাতনের খরগ নামতে পারে সেই ভয়ে কেউ মুখ খুলতেও নারাজ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নৌকার একজন চুকানি (মাঝি) বলেন,পাড়ুয়া,ভোলাগঞ্জ ও টুকের গাঁওয়ের কয়েকজন পুয়াইন আমরার (নৌকা) কাছ থাকি টেখা নেয়।বিনিময়ে আমরাও একনাম্বার বালু পাইয়ার।অসুবিদা কিতাতে তারা টেখা নিলেও বালুত বালাও দের।

গুচ্ছগ্রাম এলাকার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন ( চাঁদাবাজদের ভয়ে নাম প্রকাশ করতে অপারগ) বলেন, হুনলাম অওন থাকি বিভিন্ন নেতাকর্মী ও অফিসার অখলতের নামে টেখা যায়।অতারলাগি অখানো প্রশাসনে অভিযানে আয় না।আর আইলেও চুখ বুজিয়া যায়গি।

এদিকে ইজারাদার বহিভূর্ত এইসব এলাকা থেকে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন অবৈধ কিনা জানতে চাইলে ভোলাগঞ্জ গ্রামের হাজী সাহাব উদ্দিন (সেবা) বলেন,অখান থাকি বালু তোলা সম্পূর্ণ অবৈধ। সখালে গেছলাম ১০ নং এলাখাত।গিয়া দেখি এক চেয়ারম্যানের ছোট ভাই লিস্টার দিয়া বালু তুলের।গুচ্ছগ্রাম বাজারর উত্তর সাইটে যে ভাঙ্গা অইছে অতা বোমা মেশিন দিয়া পাত্তর তুলিয়া ভাংচে।অখন আবার বালু তুলের।ইলাখান তুলতে থাখলে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ঘর ভাংগিয়া গাংও যাইতে বেশি সময় লাখতো নায়।আর এমনেতেও গুচ্ছগ্রামের একটা মসজিদ গাংও অর্দেখটা গেছেগি।দেশের প্রশাসন কিতা দেখেনানি অতা?

মুক্তিযোদ্ধার গাওয়ের উত্তরে নৌকা লাগাইয়া পয়সা লর আলমগীর,লোকমান,খালেক, গৌছের পুয়া সাইফুল্লাহ,ইন্নুছের পোয়া (নাম অজ্ঞাত) আতাবুর ছাড়াও অনেকে।

আর মুক্তিযোদ্ধার গাওর দখনেদি নৌকা লাগাইয়া পয়সা লর রউছ উদ্দির পুয়া সাইফুল।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য বলেন,গুচ্ছগ্রামের আশে পাশে থেকে বালু উত্তোলন অবৈধ। যদি কেউ উত্তোলন করে থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

(সি/স-০৯ সেপ্টেম্বর-তা/ই)