কোম্পানীগঞ্জে দাদা নাতনীর অসম প্রেম

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:-সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ষাটোর্ধ পুরুষের সাথে ষোড়শীর প্রেমের গল্প এখন উপজেলার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে চাউর।দীর্ঘ দুই বছরের অসম প্রেমে শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে বেশ কয়েকবার।শারীরিক সম্পর্কের এক পর্যায়ে বিগত ছয় মাস আগে একবার সেই কিশোরী অন্তসত্বা হয়েছিল।পরে গ্রামবাসীর শালিসি বৈঠকের স্বিদ্ধান্তে সেই বাচ্চা নষ্ট করলেও থেমে থাকেনি তাদের অসম প্রেম কাহিনী । বর্তমান মাসের এক তারিখে প্রেমের টানে সেই কিশোরী ঠাই নিলেন ষাটোর্ধ লম্পটের বাড়িতে।কিন্তু বিধিবাম কিশোরীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের প্রেমের সুতায় টেনে ধরলেন কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।ধরে নিয়ে আসলেন সেই ব্যাক্তিকে।  কিশোরীকে উদ্ধার করে বর্তমানে থানা হেফাজতে আনলেন।এ বিষয়ে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

গঠনাটি উপজেলার ২ নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের।ষাটোর্ধ সেই ব্যাক্তি শিব নগর গ্রামের৷ মৃত সমশের আলীর পুত্র মনু মিয়া (৬০)। কিশোরী সুমা বেগম (১৬) একই গ্রামের বাসিন্দা।সম্পর্কে তারা দাদা নাতনী হোন।বাড়িতে আসা যাওয়ার সুবাধে এক সময় দুইজনের মধ্যে মন লেনাদেনা হয়ে যায়।এক পর্যায়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নজরে আসে।

কিশোরীর বড় ভাই কামাল মিয়া জানান,লম্পট মনু মিয়া অনেক বিয়ে করেছে।এর আগেও সে একটি ১৪ বছরের কিশোরীর জীবন নষ্ট করেছে।তাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে বিয়ে করলেও কিছুদিন পরে তাকে তালাক দিয়ে দেয় মনু মিয়া।কিছুদিনের সংসার জীবনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক সেই কিশোরী এক মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়।বর্তমানে সন্তান নিয়ে মানুষের দোয়ারে দোয়ারে ঘুরছে তার পূর্বের তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী।
লম্পট মনু মিয়া অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে।সে আমার বোনের জীবনটা নষ্ট করে ফেলেছে।আমি তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম নজরুল বলেন,এঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

(সি/স-০৯ মার্চ-তা/ই)