নৌকা জয়ী হলে উত্তর রণিখাইয়ে শ্রম-সমস্যা থাকবে না : এড. নাসির উদ্দিন খাঁন

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:-ফয়জুর রহমান মাস্টারের নির্বাচনী জনসভায় না আসলে বুজতে পারতাম না এলাকায় হাজারো শ্রমিক বেকার জীবনযাপন করছে। ইউপি নির্বাচনে যদি নৌকা প্রার্থী ফয়জুর রহমান জয়ী হয় ইনশাআল্লাহ জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবী (পাথর কোয়ারী খুলে দিতে) রাখবো। নৌকা জয়ী হলে উত্তর রণিখাইয়ে শ্রম-সমস্যা থাকবেনা। এলাকায় আর কেউ বেকার থাকবেনা। বেকার সমস্যা লাগব হবে। শনিবার বিকাল সারে ৩টায় উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের চরারবাজারে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফয়জুর রহমানের সমর্থনে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তবে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খাঁন এই বক্তব্য রাখেন।

 

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সঞ্জিত সিংহের সভাপতিত্বে ও জেলা স্বেচ্ছাবেক লীগের সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট হেলাল আহমদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খাঁন।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতিক প্রাপ্ত ফয়জুর রহমান মাস্টার বলেন, উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের মানুষ নতুনত্ব চায়। সতেরো বছরের লুটপাটের হিসাব চায়। ১৭ বছরে ইউনিয়নকে মডেল করা যেতো কিন্তু কোনো উন্নয়ন হয়নি। ইউনিয়নের কোথাও নতুন রাস্তা কিংবা পাকা রাস্তা হয়নি। বরং পুরাতন রাস্তা মেরামতের খরচ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে। পাথর শ্রমিকরা অধিকার ১৭ বছর ধরে অধিকার বঞ্চিত ছিল। আমি নির্বাচিত হলে শ্রমিকরা তাদের অধিকার ফেরত পাবে। উৎমা পাথর কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলন করতে কোনো চাঁদা দিতে হবেনা। ব্যবসায়ীরা নির্ধিদায় ব্যবসা করতে পারবে।

আমি যদি নির্বাচিত হই তবে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত শিক্ষাবান্ধব,জনবান্ধব,দূর্ণীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করবো।উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের জন্যে বিকল্প সড়ক হিসেবে চরারবাজার থেকে লামা ডিস্কিবাড়ি পর্যন্ত উচু রাস্তা নির্মাণ করা হবে।কোম্পানীগঞ্জ-গোয়াইনঘাট আন্ত সড়ক নির্মাণ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবণ নির্মাণ করা হবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সাথে প্রতিটি গ্রামের সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়ন করা হবে। শুধু শনিবার নয় ইউনিয়ন পরিষদে সপ্তাহে সাত দিন অফিস কার্যক্রম চালু রাখা হবে।ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ধুবড়ি পার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে।তুরং প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শালধিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজ করা হবে। ইউনিয়নের পতিত জমিতে ফসল উৎপাদনের জন্যে বিদ্যুৎ চালিত সেচ প্রকল্প স্থাপন করা হবে। গতানুগতিক গতিক বিচার ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হবে,বিশেষ করে আমানত বিহীন শালিস ব্যবস্থা চালু করা হবে। নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওয়ার্ডের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে।
ইউনিয়ন ক্রিড়া পরিষদ কমপ্লেক্স গঠন করা হবে।

ইউনিয়নবাসী গত ১৭ বছরে কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করেনি। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নিজস্ব ইউনিয়ন কমল্পেক্স ভবণ রয়েছে কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান সাহেব ১৭ বছরেও জনগনকে সেই সুবিধা দিতে পারেনি। স্থানীয়রা বিচার চেয়ে বিচার পায়না। আমি কথা দিচ্ছি আপনাদের নিজের সুবিধার্তে শহরে বাসা করে থাকবোনা। এলাকায় থেকে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিব। আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে আপনাদের সহযোগীতা চাই আমি। আগামী ১১ তারিখ মুক্তির প্রতিক,উন্নয়নলনের প্রতিক নৌকাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে উন্নয়নের পথকে সুগম করুন

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদ,আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আজমল আলী,উপ দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মজির উদ্দিন,কার্যকরী সদস্য জাহাঙ্গীর আলম,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আমজদ,সহ সভাপতি মুছব্বির আহমদ,সাধারণ আলহাজ্ব আপ্তাব আলী কালা মিয়া,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অখিল চন্দ্র বিশ্বাস, ফয়জুর রহমান মাস্টার,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক হাজী আলা উদ্দিন,যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহমান,রাসেল আহমদ,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ফরিদ আহমদ,উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল আলম,সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান রানা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য আনসার আহমদ,ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ সহ উপজেলা ছাত্রলীগ,যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।

(সি/স-০৬ নভেম্বর-তা/ই)