কে আগে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হবে এই নিয়ে কিশোর খুন শের তারিকুল শের তারিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ৫:৪৬ অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২২ বগুড়ার সোনাতলায় ডোবার কচুরিপানার ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় উদঘাটন হয়েছে। বগুড়ার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নিহত কিশোরের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি হত্যা রহস্য উদঘাটন করে। সেই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত রাকিব হোসেন (১৫) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হিয়াতপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে গ্রেপ্তার দুজন হলো একই গ্রামের আহসান হাবীব সজীব (২০) ও মাসুম বিল্লাহ (১৫)। পিবিআই বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন জানান, গত ৩ জুন সোনাতলা উপজেলার লাহিড়ীপাড়ার একটি ডোবার ভেতর অজ্ঞাত কিশোরের লাশ পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় পিবিআই তদন্ত শুরু করে। তদন্তের শুরুতেই মাসুম বিল্লাহ নামের কিশোরকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনায় জড়িত অপর আসামীর নাম পরিচয় জানা গেলে। তাকেও আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা জানায়, নিহত রাকিব ও আসামী সজীব একই এলাকার বাসিন্দা এবং একে অপরের বন্ধু। গত ৩১ মে সজীব তার বন্ধু রাকিবকে জানায়, সে টাকার বিনিময়ে একটি মেয়েকে সোনাতলা উপজেলার চমড়গাছা পাথারে আসতে বলেছে। ওইদিন রাতে সজীব তার বন্ধু রাকিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় এবং সঙ্গে মাসুম যুক্ত হয়। লাহিড়ীপাড়া পাথারের মাঝখানে পৌঁছার পর কে আগে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হবে এই নিয়ে রাকিব ও সজীবের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে রাকিবের মাথায় আঘাত করে সজীব। এতে রাকিব পড়ে গেলে তার মাথায় এলোপাথাড়িভাবে আঘাত করে সজীব। পরে রাকিবের গলা চেপে মৃত্যু নিশ্চিত করে তার লাশ ডোবায় ফেলে দেয়। পরেরদিন স্থানীয়রা রাকিবের লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে রাকিবের লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় নিহতের বড়ভাই বেলাল হোসেন সোনাতলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আটক দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে সজীব আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। আদালতের মাধ্যমে ওই দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার। Download News PhotoCard SHARES খুন বিষয়: