তাহিরপুরের জাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালু লুটে জড়িত ১১ শ্রমিক আটক

Desk Desk

News

প্রকাশিত: ১০:৪২ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২০

রাহাদ হাসান মুন্না:-সুনামগঞ্জের জাদুকাটার তীর কেটে বালু লুটে জড়িত ১১ শ্রমিককে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত ১ টা ৩০ মিনিটের সময় পুলিশি অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়।

বিসম্ভরপুর থানা সূত্রে জানা যায়,জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মিয়ারচর আমড়িয়া গ্রামের বিল্লাল মিয়া,জুলহাস মিয়া,হযরত আলী,ফালান মিয়া,মরম আলী,সোহেল মিয়া,রমজান আলী সিরাজপুর বাগগাঁও গ্রামের নুরুজ্জামান,সেলিম হাসান জনি,তাহিরপুর উপজেলার লামাশ্রম গ্রামের মোক্তার হোসেন,বিন্নাকুলি গ্রামের শাহাব উদ্দিনসহ ১১ বালু শ্রমিককে আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে বিসম্ভরুর থানার এসআই দীপঙ্কর বিশ্বাস বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় তিন জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জনকে পলাতক আসামী করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসে দেশের অন্যান্য জেলার ন্যায় সুনামগঞ্জ জেলাব্যাপী লকডাউন চলাকালে বালু পাথর লুটেরা চক্রের নেপথ্যে মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাহিরপুরের ঘাগটিয়া গ্রামের বড়টেক এলাকার পাকা সড়কের সামনে ও আদর্শ গ্রামের সামনে সীমান্তনদী জাদুকাটার তীরে শতাধিক শ্রমিক দিয়ে বালু লুট করা হচ্ছিল।

স্থানীয়রা বালু লুটের বিষয়টি সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ,পুলিশ সুপার ও সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জীকে অবহিত করলে তারা নদীর তীর কাটা বন্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নিতে থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

পরবর্তিতে বিসম্ভরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে মঙ্গলবার রাতেই জাদুকাটা নদীতে অভিযানে নামে এবং ওই ১১ শ্রমিককে পুলিশ আটক করে।

বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান পিপিএম বলেন,পরিবেশ বিপন্ন করে যেসকল মদদদাতা বা শ্রমিক নদীর তীর কেটে বালু লুট করার সাথে জরিত থাকে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, জাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালূ লুট বন্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা পুলিশকে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

(সি/স-১০ জুন-তা/ই)